চলছে মিশা সওদাগর-মৌসুমী‘র লড়াইঃ এফডিসিতে কঠোর নিরাপত্তা

বিনোদন ডেস্ক(আজকের নারায়নগঞ্জ): কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যকরী পরিষদের ২০১৯-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ,মৌসুমীকে ড্যানি রাজের ধাক্কা ব্যাপক উত্তেজনা ছিল। বিগত কয়েকদিনের নির্বাচনী প্রচারনার চিত্র দেখে সিনেমার অভিনয়ের মতই মনে হয়েছে এ যেন ভিলেনের সাথে নায়িকার বাস্তবধর্মী লড়াই।

নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ মোতায়েন করে এফডিসিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শুধু ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের এফডিসির গেট দিয়ে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। ভোটাররা এফডিসির গেটে পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোট দিতে প্রবেশ করছেন। বিশেষ পরিচয়পত্র নিয়ে সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশ করছেন।

বিএফডিসি শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এর পর ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।

চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দিতে চাই। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার আমরা নিয়েছি। আশা করছি উৎসবমুখর পরিবেশে শিল্পীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে আসবেন।’

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৪৪৯ জন, যা গত নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার চেয়ে ১৮১ জন কম।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিল্পী সমিতির কার্যালয়ের বোর্ডে ভোটারদের এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে এবারের নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গতঃ নির্বাচনে সিনেমার ভিলেন চরিত্রের অভিনেতা মিশা সওদাগরের সাথে সভাপতি পদে লড়াই করছেন নায়িকা মৌসুমী। সহসভাপতি পদে লড়ছেন নায়ক রুবেল,নানা শাহ ও ভিলেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। আর সাধারন সম্পাদক পদে নায়ক জায়েদ খানের সাথে লড়াইয়ে আছেন ভিলেন ইলিয়াস কোবরা।

মৌসুমী-কোবরা স্বতন্ত্র হিসাবে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হলেও মিশা সওদাগরের নেতৃত্বে প্যানেলে লড়ছেন সাধারন সম্পাদক পদে জায়েদ খান,সহ সাধারন সম্পাদক পদে লড়ছেন আরমান ও সাংকো পাঞ্জা। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভিনেতা সুব্রতর বিপরীতে কোনো প্রার্থী নেই। আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন নূর মোহাম্মদ খালেদ আহমেদ ও চিত্রনায়ক ইমন। দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে একাই রয়েছেন জ্যাকি আলমগীর। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়বেন জাকির হোসেন ও ডন। কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা ফরহাদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। অর্থাৎ সুব্রত, জ্যাকি, আলমগীর ও ফরহাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন ১৪ জন। তাঁরা হলেন—অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, রঞ্জিতা, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, মারুফ আকিব ও শামীম খান (চিকন আলী)।