যানজটের কবলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের কবলে পরেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (১৫ মে) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে তীব্র যানজটের কবলে পরেন।

সকাল ১১টায় মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় আসার কথা থাকলেও ভোর থেকে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে ঢাকা-চট্টগাম মহাসড়কের মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত তীব্র যানজট থাকায় তিনি দুপুর ১টায় কাঁচপুরে এসে পৌছান। পরে তিনি মহাসড়কের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে আবারও ঢাকায় ফিরে যান।

এসময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কয়েকদিন যাবৎ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের তীব্র যানজযটের কারণে জনসাধারণের ভোগান্তির ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যানজট নিরসনে আজ দুপুর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী জেলার মহিপাল এবং ফতেহপুর এলাকার একটি লেন খুলে দেয়া হবে।

আগামী ঈদের আগে ফেনী রেল সড়কের উপর নির্মিত ওভার ব্রীজে এবং সড়কে দুইটি করে চারটি লেন চালু করা হবে। এর ফলে ঈদের সময়ে যানবাহন ও যাত্রী সাধারণকে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। সেনাবাহিনীর ইনএনসির জেনারেল সিদ্দিকীর সাথে আমি কথা বলেছি। তিনি সেখানে আছেন। কিছুক্ষনের মধ্যে লেন খুলে দেয়া হবে।

এছাড়াও মহাসড়কে পুলিশের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান। পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজিকে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকউল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আলীউল হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: শাহরিয়ার আলম ও আব্দুস সাত্তার এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মতিয়ার রহমানসহ পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রমূখ।

এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে সকাল থেকেই দীর্ঘ যানজট থাকে। এসময় যাত্রীরা এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা ভোগান্তিতে পড়েন। পরিবহন চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এই যানজট নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।