জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসা, বাধা দিলেই হত্যার হুমকী

কিছু দিন পূর্বেই ১৮০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয় সদর থানার দক্ষিণ র‌্যালি বাগানের কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী। কিন্তু চিরাচরিত নিয়মেই আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে আসে তারা। আবারো শুরু করে পুরোনো সেই ব্যবসা। তবে কেবল ব্যবসা করেই ক্ষান্ত নন এই মাদক ব্যবসায়ী চক্র।

তাদের এই অবৈধ কাজে বাঁধা দেয়া দূরের কথা এ নিয়ে সামান্য টু শব্দটি পর্যন্ত করতে পারছেন না কেউ। নিজের সন্তান কিংবা আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে কেউ সামান্য প্রতিবাদটুকু করতে গেলেই শিকার হতে হয় মারধর আর হত্যার হুমকির। এমন অবস্থায় ভয়ঙ্কর এই মাদক সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি চায় এলাকার নিরীহ মানুষগুলো।

মাদক সন্ত্রাসী চক্রের মধ্যে এলাকাবাসী যাদের নাম বলছেন তাদের মধ্যে মো. বাদল পিতা মৃত মো. শহিদুল্লাহ মো. ফরিদ, মো. মাসুম পিতা মো. হায়দার, মো. রানা, পিতা মৃত মোঃ মনা মিয়া মোঃ রাজু ও হিজরা মুক্তার অন্যতম। তারা সকলেই বাদলের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ করেন। নিজেদের নিরাপদ রাখতে একটি গ্রুপ রাতে এলাকায় দলবলসহ মহরা দেয়। আর অপর গ্রুপটি টানবাজার সহ এলাকার আশেপাশে মাদকের আস্তানাগুলোতে অবাদে বেঁচাকেনা করে মাদক দ্রব্যের।

এদের অত্যাচারে র‌্যালি বাগান এলাকাবাসী যখন আতঙ্কগ্রস্থ তখন এলাকাবাসী বলছে, আমরা চাই আমাদের সন্তানরা মাদকমুক্ত থাকুক। মাদকের বিষাক্ত ছোবলে যেন আমাদের আগামী প্রজন্ম ধ্বংশ না হয় সে জন্য প্রশাসনসহ সচেতন মহলের দৃষ্টি কামনা করছি। এখানে বাদল ও তার সঙ্গের লোকজন দিনেদিনে আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

তারা নিজেরাতো মাদক ব্যবসা করেই পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে আমাদের ছোট ছোট সন্তানদেরও জোর করে বাধ্য করে মাদক পরিবহনের কাজে। আমরা বাধা দিতে গেলেই মারধরসহ হত্যার হুমকী দেয়। আমরা চেষ্টা করছি এই মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত আন্দোলন গড়ে তুলতে। কিন্তু এই মাদক স¤্রাটরা এতটাই সঙ্গবদ্ধ ও শক্তিশালী যে ওদের সামনে আমাদের আন্দোলন টিকিয়ে রাখাটাই মুশকিল।

তারা আরো বলছে, এই বাদল ও তার সহযোগীরা আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার আগেই আমরা এলাকাবাসী র‌্যালি বাগানের মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের শক্ত অবস্থান চাইছি। প্রশাসন চাইলে আমরা তাদের সহযোগীতা করবো। তারপরেও একটাই চাওয়া আমাদের নিরাপদে বাঁচতে দিন, আমাদের সন্তানদের মাদকের ছোবল খেকে বাঁচান।