গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরনে অপহৃত স্কুলছাত্রীসহ নিহত ৩,আহত পুলিশসহ ৪

আজকের  নারায়ণগঞ্জ: অপহরণকারীর খপ্পর থেকে উদ্ধার হলেও জীবিত বাড়ি ফেরা হলো না সোনারগায়েঁর  স্কুল ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বর্ণার। ফিরেছে তার লাশ। শুধু সে নিজেই নয়, লাশ হয়ে  ফিরেছে  তাকে উদ্ধার করতে যাওয়া খালাতো ভাই ফারুক (৪২) ও মামা সিরাজুল ইসলাম (৫৫)। আহত হন তিন পুলিশ সদস্য ও গাড়ির চালক।

রাজশাহী থেকে উদ্ধারের পর  বাড়ী ফেরার পথে টাঙ্গাইল শহরে কুমুদিনী কলেজ মোড়ে  মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) ভোর পাঁচটার দিকে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরন ঘটলে তারা নিহত হয়।

আহতরা হলেন-সোনারগাঁও থানার এসআই তানভীর (৩৩), এএসআই হাবিব (৩০), পুলিশ কনস্টেবল আজাহার (৪৫) ও মাইক্রোবাসের চালক মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া এলাকার আকতার (৩৫)।

দুর্ঘটনায় আহত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানভীর আহমেদ জানান, সোনারগাঁও থানা থেকে মাইক্রোবাস নিয়ে তাঁরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ অপহৃত জান্নাতুলকে উদ্ধার করতে রাজশাহী যান। সেখান থেকে ফেরার পথে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড সিএনজি পাম্প থেকে গ্যাস নিয়ে সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হন।

পথে শহরের কুমুদিনী কলেজ মোড় সড়কে স্পিড ব্রেকারে প্রচন্ড ঝাঁকুনি লাগে। এ সময় মাইক্রোবাসের পেছনে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে গাড়িতে আগুন লেগে যায়। ঘটনাস্থলেই জান্নাতুল ও তার খালাতো ভাই ফারুক নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জান্নাতুলের মামা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক সদর উদ্দিন জানান, তিনজনই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। আর আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মাইক্রোবাসের চালক আখতার দগ্ধ হয়েছেন এবং গাড়ি থেকে নামতে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন। তবে তিন পুলিশ সদস্য আহত হলেও দগ্ধ হননি।