নওগাঁয় প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ও প্রশিক্ষন ছাড়াই ভেটেরিনারি চিকিৎসা

মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ এ কারনে কৃষিক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নে লক্ষ্যে প্রানি সম্পদ উন্নয়নে বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে প্রকৃতিক দুর্যোগ,পরিবেশ দূষন ইত্যাদি কারনে মানষের মত পশুপাখিসহ গবাদি পশুর নানা ধরনের রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে রোগ চিহ্নিত ও নিরাময় করার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ভেটেরিনারিয়াম বা পশু চিকিৎসক দরকার।

প্রানির স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রায় সাড়ে তিনশ বছর ধরে সারা পৃথিবীতে গুরত্বপুর্ন ভূমিকা রেখে চলেছেন পশু চিকিৎসকরা। কিন্তু সেই চিকিৎসক যদি হয় অ- প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত,ভেটেরিনারিয়াম সায়েন্স ও মেডিসিনে যদি না থাকে কোন প্রাতিষ্টানিক সনদ, তাহলে পশুর স্বাস্থ্য রক্ষার পরিবর্তে পশুর স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে তাতে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকেনা।

ঠিক এই রকম অযোগ্য অ- প্রশিক্ষন প্রাপ্ত চিকিৎসকরা রমরমা ভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে নওগাঁর প্রতিটা উপজেলা গুলোতে বিশেষত নিয়ামতপুর ও মান্দায় এ বিষয়টি অনুসন্ধান বা খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়মিত চিকিৎসা দেয় অথচ নেয় কোন প্রাতিষ্টানিক সনদ এবং প্রশিক্ষন এমনকি ঔষদের বানান প্রেসক্রিপসনে লিখতেও ভুল করে অগনিত চিহ্নিত এই সমস্ত চিকিৎসকগুলো হলো নিয়ামতপুর উপজেলার তালপকুরিয়ার আব্দুর রাজ্জাক(৩০), মোফাজ্জল(৩৫),আলাউদ্দিন(৪০),ফজলু (৩০), নজরুল(৪৫), দেলোয়ার (৪০), উপজেলার ভাবিচার নিরেন্দ্রনাথ (৪৫), আনোয়ার জাহিদ (৩৫), আতাউর রহমান,মোস্তাফেজুর রহমান(৪২) কালিপদ(৩৬) উপজেলার মান্দার আব্দুর রহমান প্রমূখ সহ প্রায় অর্ধশতাদিক পশু চিকিৎসকের নেই কোন প্রাতিষ্টানিক সনদ ও প্রশিক্ষন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রনিসম্পদ কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার রায় বলেন,আমরা প্রানি সম্পদ রক্ষার্থে পশুর চিকিৎসা সার্বিক ভাবে পরিচালনা করে আসছি এবং ইউনিয়ন পর্যায় স্বেচ্ছাসেবী দিয়ে কৃত্রীম বীজ প্রজজন কার্যক্রম পরিচালনা করছি, পশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের অযোগ্য অপ্রশিক্ষন প্রাপ্ত চিকিৎসক চিকিৎসা প্রদান সম্পুর্ন বে- আইনি এ বিষয় আমি ব্যবস্থা গ্রহন করব।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ভুল চিকিৎসার কারনে এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রাই ১৬ টির বেশি গরু মারা গেছে যার সার্বিক মূল্য প্রায় ছয় লক্ষাদিক টাকা এদের মধ্যে উল্লেখ্য উপজেলার সিদাইন গ্রামের মাহাবুর ইসলামের একটি গরু মূল্য ৬৫ হাজার টাকা নিরেন কুমারের গরু মূল্য ৫০ হাজার টাকা আমিনুর কৃষ্নপুর একটি দুগ্ধ গাভী মূল্য ৮০ হাজার টাকা।এই এলাকার সাধারন জনগনের দাবি এই সমস্ত ভুল চিকিৎসার কারনে প্রানি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, তাই এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং অপ্রশিক্ষনপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের চিকিৎসা বন্ধের জোরলো দাবি জানাচ্ছি।