পাকিস্তানে বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৩২,দায় স্বীকার করলো আইএস

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃপাকিস্তানে নির্বাচনী জনসভায় পৃথক বোমা হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৮০ জন। দেশটির বেলুচিস্তান ও খাইবার পাকতুনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

জানা গেছে, বোমা হামলায় বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির প্রার্থী সিরাজ রাসানিও বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন। বেলুচিস্তানের মাস্টাং জেলায় নির্বাচনী প্রচারণায় মঞ্চের খুব কাছে এই বোমা হামলা হয়। এতে আগের প্রকাশিত খবরে ২৫ জন নিহত ও শতাধিক আহতের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তবে বর্তমানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮ জন এ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বেলুচিস্তান রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাইজ কাকার।

এদিকে, প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আঘা উমর বাঙ্গালজাই ডন নিউজকে জানান, সিরাজকে আহত অবস্থায় কোয়েটায় নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান। এই হামলাকে আত্মঘাতী হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নওয়াবজাদা সিরাজ বেলুচিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নওয়াব আসলাম রাইসানির ছোট ভাই। এর আগে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর জোটের অংশ ছিল দলটি। বেলুচিস্তানের মাস্টাং জেলায় নির্বাচনী প্রচারণায় মঞ্চের খুব কাছে এই বোমা হামলা হয়।

নওয়াবজাদা সিরাজ বেলুচিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নওয়াব আসলাম রাইসানির ছোট ভাই ছিলেন। এর আগে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর সাথে জোটে ছিল। তখন তার দলের নাম ছিল বেলুচিস্তান মুত্তাহিদা নওয়াজ। গত মার্চে এই জোট ভেঙে গেলে জুন মাসে বিএপি এর সাথে নিজ দল নিয়ে যোগ দেয় সিরাজ।

এর আগে ২০১১ সালেও হামলার শিকার হয়েছিলেন সিরাজ। মাস্টাং জেলার এক ফুটবল স্টেডিয়ামে খেলা দেখার সময় হামলা হয়েছিল সিরাজের ওপর। সে হামলায় সিরাজের কিশোর বয়সী ছেলে আকমল রাইসানী নিহত হয়েছিলেন। গত মার্চে এই জোট ভেঙে গেলে জুন মাসে বিএপি এর সাথে নিজ দল নিয়ে যোগ দেয় সিরাজ।

প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ জুলাই সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনৈতিক পাড়া। ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক কারণেই এই বোমা হামলা ঘটানো হয়েছে। আত্মঘাতী হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই বান্নু এলাকায় নির্বাচনী প্রার্থী এবং মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আওয়ামী লীগ মনোনীত ব্যক্তি আকরাম খান দুরানিকে হত্যাচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। একটি মোটরসাইকেল আক্রমণ চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা।