‘রেইনবো ডাইং সম্পর্কে নিজের অবস্থান জানালেন সাজনু

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  রেইনবো ডাইং দখল সক্রান্ত বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া সাজনু। তার দাবি, এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০১০ বা ২০১১ সালে মৃত সালাম সাহেবের ওয়ারিশগণ এবং জসিম উদ্দিন এর মধ্যে যে রেইনবো ডাইংয়ের সম্পত্তি রেজিস্ট্রি বায়না করা হয়, সেখানে আমাকে একজন স্বাক্ষী হিসেবে রাখা হয়। এর পর দীর্ঘ ৬/৭ বছর আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালে জসিম সাহেব আমাকে জানায় যে, মৃত আব্দুস সালাম সাহেবের পুত্র শাফকাত সালাম রেইনবো ডাইংয়ের দখল নিয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপার নিয়ে শাফকাত সালামের মা হামিদা সালাম, ফুফু অধ্যাপিকা শিরিন বেগম এবং ফুফা অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূইয়া আমাকে ফোন করে জসিমকে তাদের বাসায় বসার ব্যবস্থা করার জন্য। তাদের কথার পরিপ্রেক্ষিতে আমি জসিমকে বলি দীর্ঘ সময় তাদের ঝামেলা না রেখে (মৃত সালাম সাহেবের ওয়ারিশগণের সাথে) ঝামেলা শেষ করার ব্যাপারে অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম সাহেবের বসার জন্য।

তার পরিপ্রেক্ষিতে একদিন অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম সাহেবের বাসায় বসা হয় এবং সেখানে হামিদা সালাম, অধ্যাপিকা শিরিন বেগম অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, শাফকাত সালাম, জসিম এবং আমি সাজনু ছিলাম এবং সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, হামিদা সালাম ব্যাংকের ডিজিএমকে বলে দিবে যে জসিম আগামী ৮ মাসের মধ্যে ব্যাংকের দেনা পাওনা পরিশোধ করবে। কিছুদিন পর যখন আমি জসিমকে জিজ্ঞাসা করলাম তখন জসিম বললো যে, হামিদা সালাম ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে কিছু বলেনি। তখন আমি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম সাহেবকে বিষয়টি অবগত করি। আমি এ পর্যন্তই জানি, এর বেশি কিছু জানি না।

সামিয়া সালাম স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কোন জমি দখলে আমি সম্পৃক্ত না। আমি কেমন লোক নারায়ণগঞ্জবাসী তা ভালো মতো জানে আমার দ্বারা কোন এতিমের সম্পত্তি দখল হবে না।