ফতুল্লার দেওভোগে যুবককে কুপিয়ে হত্যা,আহত ৭

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ): ফতুল্লায় একদল মুখোশধারীর এলোপাথাড়ি কুপিয়ে শাকিল (৩০) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে।

এ সময় শাকিলকে বাঁচাতে এসে সন্ত্রাসীদের কোপে গুরুতর আহত হয়েছে পানি ব্যবসায়ী সজিব (৩২), শাওন (২৫) ও সুভাষ (৩০) সহ ৭ জন। এ ঘটনা  শনিবার(২৭ জুলাই) রাত পৌণে ১১টায় পশ্চিম দেওভোগ মাদ্রাসা হাসেম বাগ এলাকায় ঘটেছে।

নিহত শাকিল দেওভোগ পূর্বনগর এলাকার মৃত. আমান উল্লাহর ছেলে। আহতরা হলেন, শাওন, সজিব, সুভাষসহ ৬ জন। অন্যদের নাম তাৎক্ষনিক জানা যায়নি।

আহতদের মধ্যে সুভাষ জানান, তিনি শহরের ২নং রেলগেইট এলাকা থেকে বাংলাবাজার বাসায় মোটরসাইকেল যোগে রাত ১১টায় ফেরার পথে দেওভোগ হাশেমনগর এলাকায় একদল মুখোশধারী যুবক পথরোধ করে এলোপাথাড়ি কোপায়। এসময় আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে তাদেরও অনেককে এলোপাথারী কোপায়। কি কারনে তারা এভাবে কুপিয়েছে তা জানিনা।

স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী চান্দু, নিক্সন, তুহিন ও তার বন্ধুরা মুখোশ পড়ে সড়কে দাড়িয়ে ছিলো। তখন এক ব্যাক্তি মোটর সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলো। ওইসময় মোটর সাইকেলের লাইটের আলো দাড়িয়ে থাকা মুখোষধারী সন্ত্রাসীদের চোঁখে পড়ে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মোটর সাইকেল আরোহীর উপর প্রথমে তারা হামলা চালায় পরে আশপাশের লোকজনদেরও কোপায়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, একজন নিহত হয়েছে আর আহত হয়েছে কয়েকজন। বিস্তারিত জানতে আমিসহ পুলিশের একাধীক টিম ঘটনাস্থলে রয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

এলাকাবাসী জানায়, ক্রসফায়ারে নিহত সন্ত্রাসী হাসান এর উত্তরসুরি তুহিন এখন পশ্চিম দেওভোগ মাদ্রাসা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।