ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড নাকি ক্রোয়েশিয়া ?

 ক্রীড়া ডেস্কঃ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালের হাতছানি ইংল্যান্ডকে। আর দু’হাত বাড়িয়ে ইতিহাস ডাকছে ক্রোয়েশিয়াকে  । ২০ বছর আগের গৌরবগাথা ছাপিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার ইশারা লুকা মডরিচদের সোনালি প্রজন্মের সামনে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ডেভর সুকারের ক্রোয়েশিয়াকে কি ছাপিয়ে যেতে পারবে মডরিচের ক্রোয়েশিয়া? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজ।

মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১২টায় আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দেখা হচ্ছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার। জিতলেই মিলবে একই ভেন্যুতে ১৫ জুলাইয়ের স্বপ্নের ফাইনালের টিকিট। আর হারলে দৃষ্টিসীমা থেকে আলোকবর্ষ দূরে সরে যাবে বহু আরাধ্য সোনার ট্রফিটা।
ইংল্যান্ড সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেও আসরের শুরুতে ক্রোয়েশিয়ার মতো তাদের গায়েও সেঁটে ছিল ‘আন্ডারডগ’ তকমা। তাদের সম্ভাবনা বহুল চর্চিত হলেও কেউ ভাবেনি এ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠে আসবে। কিন্তু কেন, মডরিচরা সুন্দর ও সাহসী ফুটবল খেলেই সব সমীকরণ ওলট-পালট করে দিয়েছেন। এবার মুখোমুখি দুটি স্বপ্নবাজ দল। ইংল্যান্ডের শক্তি তারুণ্যের ঝংকার, ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা। ক্রোয়েশিয়ার সৃষ্টিশীল মাঝমাঠ যতটা ভীতিজাগানিয়া, সেটপিসে ততটাই ভয়ংকর ইংল্যান্ড। খেলার ধরন, কৌশল ও দর্শনে দুই মেরুতে থাকলেও এক জায়গায় দারুণ মিল দু’দলের। দৃষ্টান্ত হয়েই নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুই অধিনায়ক ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও ক্রোয়েশিয়ার লুকা মডরিচ। আজ লড়াইটা তাদেরও। চার ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন কেন। ওদিকে গোল্ডেন বলের অন্যতম দাবিদার মডরিচ। পাঁচ ম্যাচের তিনটিতেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ক্রোট অধিনায়ক।

একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজের দল নিয়ে প্রায় একই কথা বলেছেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। অনভিজ্ঞ রক্ষণ একটুও ভাবাচ্ছে না তাকে। কারণ দামাল তারুণ্যই ইংল্যান্ডের বড় শক্তি। হ্যারি কেন ছাড়া সেই অর্থে দলে বড় কোনো তারকা না থাকলেও সাউথগেটের সরল দর্শনে দল হিসেবে দারুণ খেলছে ইংল্যান্ড। আক্রমণভাগে কেন ছাড়াও রয়েছেন ডেলে আলি, রাহিম স্টার্লিং, রাশফোর্ড ও ভার্ডির মতো সব চেনা মুখ। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ জেতার পথে ইংল্যান্ড করেছিল ১১ গোল। এবার সেমিফাইনালের আগেই ১১ গোল করেছে সাউথগেটের দল। ওপেন প্লেতে গোল পেতে সমস্যা হলেও ডেড বল পরিস্থিতিতে কেনরা রীতিমতো ভয়ংকর। ৫২ বছর আগে ববি চার্লটন, ববি মুরদের দেখানো পথে হেঁটেই এবার নিজেদের একটা ইতিহাস লিখতে চান হ্যারি কেন, ‘ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটা ভীষণ কঠিন হবে। কিন্তু আমরা ভয় পাচ্ছি না। আমরা এবার নিজেদের ইতিহাস লিখতে চাই। বিশ্বকাপ জিতে আলাদা ছাপ রেখে যেতে চাই।

৫২ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল ডাকছে ইংল্যান্ডকে। আর দু’হাত বাড়িয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ডাকছে ইতিহাস। ২০ বছর আগের গৌরবগাথা ছাপিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার হাতছানি লুকা মডরিচদের সোনালি প্রজন্মের সামনে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ডেভর সুকারের ক্রোয়েশিয়াকে কি ছাপিয়ে যেতে পারবে মডরিচের ক্রোয়েশিয়া? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজ।

মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১২টায় আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দেখা হচ্ছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার। জিতলেই মিলবে একই ভেন্যুতে ১৫ জুলাইয়ের স্বপ্নের ফাইনালের টিকিট। আর হারলে দৃষ্টিসীমা থেকে আলোকবর্ষ দূরে সরে যাবে বহু আরাধ্য সোনার ট্রফিটা।
ইংল্যান্ড সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেও আসরের শুরুতে ক্রোয়েশিয়ার মতো তাদের গায়েও সেঁটে ছিল ‘আন্ডারডগ’ তকমা। তাদের সম্ভাবনা বহুল চর্চিত হলেও কেউ ভাবেনি এ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠে আসবে। কিন্তু কেন, মডরিচরা সুন্দর ও সাহসী ফুটবল খেলেই সব সমীকরণ ওলট-পালট করে দিয়েছেন। এবার মুখোমুখি দুটি স্বপ্নবাজ দল। ইংল্যান্ডের শক্তি তারুণ্যের ঝংকার, ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা। ক্রোয়েশিয়ার সৃষ্টিশীল মাঝমাঠ যতটা ভীতিজাগানিয়া, সেটপিসে ততটাই ভয়ংকর ইংল্যান্ড। খেলার ধরন, কৌশল ও দর্শনে দুই মেরুতে থাকলেও এক জায়গায় দারুণ মিল দু’দলের। দৃষ্টান্ত হয়েই নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুই অধিনায়ক ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও ক্রোয়েশিয়ার লুকা মডরিচ। আজ লড়াইটা তাদেরও। চার ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন কেন। ওদিকে গোল্ডেন বলের অন্যতম দাবিদার মডরিচ। পাঁচ ম্যাচের তিনটিতেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ক্রোট অধিনায়ক।

একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজের দল নিয়ে প্রায় একই কথা বলেছেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। অনভিজ্ঞ রক্ষণ একটুও ভাবাচ্ছে না তাকে। কারণ দামাল তারুণ্যই ইংল্যান্ডের বড় শক্তি। হ্যারি কেন ছাড়া সেই অর্থে দলে বড় কোনো তারকা না থাকলেও সাউথগেটের সরল দর্শনে দল হিসেবে দারুণ খেলছে ইংল্যান্ড। আক্রমণভাগে কেন ছাড়াও রয়েছেন ডেলে আলি, রাহিম স্টার্লিং, রাশফোর্ড ও ভার্ডির মতো সব চেনা মুখ। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ জেতার পথে ইংল্যান্ড করেছিল ১১ গোল। এবার সেমিফাইনালের আগেই ১১ গোল করেছে সাউথগেটের দল। ওপেন প্লেতে গোল পেতে সমস্যা হলেও ডেড বল পরিস্থিতিতে কেনরা রীতিমতো ভয়ংকর। ৫২ বছর আগে ববি চার্লটন, ববি মুরদের দেখানো পথে হেঁটেই এবার নিজেদের একটা ইতিহাস লিখতে চান হ্যারি কেন, ‘ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটা ভীষণ কঠিন হবে। কিন্তু আমরা ভয় পাচ্ছি না। আমরা এবার নিজেদের ইতিহাস লিখতে চাই। বিশ্বকাপ জিতে আলাদা ছাপ রেখে যেতে চাই।’