দ্বিতীয় বিয়ে মেনে না নেয়ায় প্রথম স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা

আজকের নারায়নগঞ্জঃ  সদর উপেজেলার ফতুল্লায় দ্বিতীয় বিয়ে মেনে না নেয়ার জেরে সুমি আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে স্বামী সোহানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পিতা।

সোমবার (০৯ জুলাই) রাতে পূর্ব ধর্মগঞ্জ ঢালিপাড়া থেকে সুমি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিম। ঘটনার পর থেকেই পলাতক আছে অভিযুক্ত স্বামী। নিহত সুমি মুন্সিগঞ্জের দেওভোগ এলাকার রূপ মিয়ার মেয়ে।

মঙ্গলাবার (১০ জুলাই) বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে সুমির মরদেহ তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে পরিবারের লোকজন লাশ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে নিয়ে যায়।

নিহত সুমির বাবা রূপ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ঢালিপাড়া এলাকার জুলহাস ভূঁইয়ার ছেলে সোহানের সাথে ৭ বছর আগে বিয়ে দিই। কিন্তু বিয়ের পর জানতে পারি সোহান একজন বখাটে, ভবঘুরে বেকার। মেয়েকে প্রায়সময় মারধর করে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেয়াতো। এরমধ্যে বিদেশ যাওয়ার কথা বলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেয়। এরপর মুরগির ব্যবসার জন্য মেয়েকে দিয়ে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। এভাবে প্রায় সময় মেয়েকে দিয়ে সে টাকা আনতে বাধ্য করতো।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সুমিকে বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে সোহান। এতে মেয়ে রাজি না হলে তাঁর হাতের ও কানের স্বর্ণালংকার জোর করে নিয়ে বিক্রি করে অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করে। দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি সোহানের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে সুমি আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলো। ধারনা, এনিয়ে তর্ক করায় তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘরের বাহিরে ফেলে দিয়ে পালিয়ে গেছে সোহান।