মেয়রের দৃঢ়তায় উচ্ছেদ ১৬ বছরের জঞ্জাল রহমতউল্লাহ মার্কেট

আজকের নারায়ানগঞ্জ ডেস্কঃ  রাজধানীর র‌্যাংগস ভবন,আর হাতিরঝিলের বিষফোড়া বিজেএমইএ ভবনের মতই ২নং রেলগেইট এলাকায় সড়কের মুখ বন্দ করে দাড়িয়েছিল রহমতউল্লাহ ইনিষ্টিটিউট ভবনটি। মামলা-মোকাদ্দমা মোকাবেলা শেষে বিভিন্ন প্রদিবন্ধকতা পেরিয়ে অবশেষে সফল মেয়র আইভি।

মেয়রের দৃঢ়তায় দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে অবৈধভাবে থাকার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন উচ্ছেদ করেছে রহমতউল্লাহ ইনিষ্টিটিউট ভবন। ফলে শহরবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীটি পুরণ হওয়ায় নগরবাসী স্বস্তি প্রকাশ করছে।

তারা বলছেন এ বিষয়ে শহরবাসী পাশে রয়েছেন এবং থাকবেন মেয়র আইভীর। অনুরোধ জানিয়েছেন, কোন অবস্থাতেই যেন কোন অদৃশ্য চাপের কাছে মেয়র আইভী পিছপা না হন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ভবন ভাঙার কাজ শুরু করে নাসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করে নাসিকের কর্মচারীরা। দুটি ভবন ভাঙার গাড়ি দিয়ে ভবনটির সম্মুখ ভাগের অংশ ইতিমধ্যেই গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নাসিকের এক কর্মকর্তা বলেন, ভবনটি ভাঙার ব্যাপারে এখানকার লোকজনকে আগেই সময় দিয়ে দেয়া হয়েছিলো। সময় পার হওয়ার পরই ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে পুরো ভবনটি ভেঙে দেয়া হবে।

জানা গেছে, রহমত উল্লাহ ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে মালিকানা সম্পর্কিত মামলা চলছিলো নাসিকের সাথে। আদালতের রায় পক্ষে আসার পরই এই অভিযান পরিচালনা করে নাসিক। এভবনটি ভেঙে ফেলার ফলে দেওভোগ আলী আহমদ চুনকা সড়কটি আরো প্রশস্ত করা সম্ভবপর হবে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ২নং রেলগেট এলাকার যানজটও অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভবপর হবে। পুরনো এই রহমত উল্লাহ ইনস্টিটিউট ভবনটি ভেঙে ফেলা হলেও এর অংশ হিসেবে পাশে রহমত উল্লাহ মুসলিম ইনস্টিটিউট শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়।