অসাবধানতা বশতঃ থুথু‘র জের তুলকালাম কান্ড, ৫২ গাড়ী ভাঙচুর

সিদ্ধিরগঞ্জ(আজকের নারায়নগঞ্জ): সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী ইপিজেডে অনন্ত হুয়াজিং গার্মেন্টের এইচ আর এ্যাডমিন মামুনের শরীরে অসাবধানতা বশতঃ থুথু ফেলায় পোশাক শ্রমিকদের যাতায়াতে ব্যবহৃত ৫২ টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে পোশাক শ্রমিকরা।

বুধবার(১৯জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আদমজী ইপিজেডে এ ঘটনা ঘটে।

আদমজী ইপিজেডের নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিস্কৃয়তায় শ্রমিকরা একের পর এক অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাংচুর করলেও তাদের তান্ডবকে নিবৃত করেনি নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে আদমজী ইপিজেডের প্রতিষ্ঠানমালিক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এতে ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা বেপজার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামান করেছেন।

আদমজী ইপিজেডের শ্রমিকরা জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কারখানা থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশে সারিবদ্ধভাবে থাকা মিনিবাসগুলোর পাশ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় গাড়িতে থাকা এক পোশাক শ্রমিক অসাবধনতাবশতঃ থুথু ফেললে অনন্ত হুয়াজিং গার্মেন্টের এইচ আর এ্যাডমিন মামুনের উপর পড়ে। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় এইচ আর এডমিন মামুন ও ষ্টোর কিপার নাসির অন্যান্য শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে গাড়ি ভাঙচুরে উদ্বুদ্ধ করে। এসময় মামুন ও নাসিরের নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক পোশাক শ্রমিক ইট ও লাঠিশোটা নিয়ে রাস্তার পাশে পার্কিং করা ৪৯ টি গাড়ি ভাঙচুর করে। হামলার সময় গাড়িতে থাকা প্রায় ১০ জন শ্রমিক আহত হয়।

খবর পেয়ে র‌্যাব-১১র কর্র্র্র্র্মকর্র্র্তা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে সাইফুল, সেলিম, নূরুল, রুবেল, গাড়ী চালক সানি ও মানিক মিয়াসহ ১০ শ্রমিক আহত হয়। আহত শ্রমিকরা জানায়, হামলা চলাকালীন সময় আমরা আদমজী ইপিজেডের সিকিডউরিটি কনসালটেন্ট মেজর (অবঃ) আবু তালেব শেখ, নিরাপত্তা কর্মকর্তা সিরাজসহ আদমজী ইপিজেডের নিরাপত্তাপ্রহারীদের জানালেও তারা বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের তান্ডব চালানো থেকে নিবৃত করেনি। এতে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা দীর্ঘক্ষণ তান্ডব চালিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাংচুর করে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মীর শাহীন শাহ পারভেজ জানায়, মঙ্গলবার এক শ্রমিক থুথু ফেলানোর কারণে অনন্ত হুয়াজিং গার্মেন্টের এইচআর এডমিন মামুন ও স্টোর কিপার নাসিরের নের্তৃত্বে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা গাড়িগুলো ভাংচুর করে। শ্রমিকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ও র‌্যাব ঘটনাস্থলে আসার পর মামুন ও নাসিরসহ তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।