বন্দর উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ১৭.৬৬ শতাংশ

বন্দর(আজকের নারায়নগঞ্জ): বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের তেমন উপস্থিতি ছিল না। ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার অর্ধেক সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও অনেক ভোটকেন্দ্রে ১০০ ভোটও পড়েনি।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বন্দর উপজেলায় মোট ভোটারের ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ; যা চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রমতে, নানা কারণেই ভোটের প্রতি অনিহা সাধারণ ভোটারদের। নির্বাচনে ভোটের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে গেছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যানরা সবাই জাতীয় পার্টির নেতা সানাউল্লাহ সানুকে ছাড় দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছেন। কেবল নারী প্রার্থীকে ভোট দিতে অনেকেই কেন্দ্র পর্যন্ত ভোট দিতে আসেননি।

জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের মতে,ভোটারদের উপর কোন প্রকার চাপ নেই। ভোটার কমের ব্যাপারে তো পুলিশের কিছু করার নেই। প্রচন্ড গরমের কারনেই ভোটার উপস্থিতি কম।

দুপুর দুইটায় মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রটিতে দেখা যায়, এই কেন্দ্র ভোট পড়েছে মাত্র ২০৩টি; যা মোট ভোটারের ৭ শতাংশ। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ২৭৪৪ জন। একই চিত্র দেখা যায় লাঙ্গলবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মোট ২০৯৬ ভোটারের ১৬৯টি ভোট পড়েছে। পুরো বন্দর উপজেলায় একই চিত্র।

বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে মোট ভোট কাস্টিং হয়েছে ১০ শতাংশ।

নির্বাচন অফিসের সূত্রমতে, বন্দর উপজেলায় মোট ভোটার ৯৮ হাজার ১২৩ জন৷ এর মধ্যে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ১৭ হাজার ৩৩৮টি৷ যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ৬২ ভোট৷ এদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট কাস্টিং হয়েছে ১৭ হাজার ৩৩০টি৷ যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ৪১টি৷ মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৫৪টি।