ইয়াবার চালান আনতে গিয়ে বন্দরের রাসেল এখন কক্সবাজারের মর্গে

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক: ইয়াবার চালান আনতে গিয়ে বন্দরের রাসেল বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়ে এখন  কক্সবাজার হাসপাতালের মর্গে। টেকনাফ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাসেল মাহমুদ (৩৬)  নিহত হয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) গভীর রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগাকাটা পাহাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জের ওই বাসিন্দা ইয়াবার চালান নিতে টেকনাফে যায় দাবি করে পুলিশ জানায়, রাসেলের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে ৫ রাউন্ড গুলি সহ একটি দেশীয় এলজি, ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নিহত রাসেল মাহমুদ নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার উত্তর লক্ষনখোলা এলাকার ফয়েজ আহমদের ছেলে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ সাংবাদিকদের জানান, শীর্ষ মাদক কারবারি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগাকাটা এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আমীর হামজাকে ধরতে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই এলাকার উজাইঅং চাকমার পাহাড়ের পাশে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারী দুষ্কৃতকারীরা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। পুলিশের এসআই বেরাহান, কনস্টেবল হাবিব, সজীব এবং তুহিন দুর্বৃত্তের গুলিতে বিদ্ধ হয়ে আহত হন।
একপর্যায়ে দুষ্কৃতকারীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, নিহেতর পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে তাকে নারায়ণগঞ্জের রাসেল মাহমুদ বলে শনাক্ত করা হয়।

ময়না তদন্তের জন্য রাসেলের মরদেহ কক্সবাজার জেলা হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

এদিকে ক্রসফায়ারে রাসেল মাহমুদ নিহত হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মাদকের অর্থ যোগানদাতা ও সহযোগী ইকবাল, শফিকুল,আরমান, মারবেল,রওশন, সাদ্দাম, মাসুম ও রবিউল হোসেন মিন্টু আত্নগোপন করে বলে জানা যায়।