সিদ্ধিরগঞ্জের পেশাদার দুর্ধর্ষ চোর চক্রের পিতা-পুত্র আটক

সিদ্ধিরগঞ্জ(আজকের নারায়নগঞ্জ):  নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের পেশাদার দুর্র্ধষ চোর চক্রের সদস্য চোরা শাকিল ও তার মাদক ব্যবসায়ি পিতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার(১৪জুন) দুপুরে কুতুবপুর এলাকার ২২ প্লট নামক নির্জন এলাকা থেকে ওই চোরকে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেয় জনতা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শাকিল প্রায় ২০ বছর যাবত পেশাদার দুর্র্ধষ চোরচক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তার অত্যাচারে ঐ এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা হয়। গ্রেফতারের পর আবারো এলাকায় দুঃসাহসিক চুরি করে থাকে।

গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে অনেক ভাড়াটিয়া গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সুবাদে চোরা শাকিল তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে একাধিক বাড়িতে চুরি করে থাকে। এব্যাপারে এনায়েত নগর এলাকার ভাড়াটিয়া নুর আমিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামালা দায়ের করেন।

এবিষয়ে সাংবাদিক লুৎফর রহমান কাকন জানান, শাকিল ওরফে চোরা শাকিল এনায়েত নগরসহ সিদ্ধিরগঞ্জের অধিকাংশ চুরি ডাকাতির সংগে জড়িত। আমার নিজের ঘরে ২০১৭ সালে ভয়াবহ চুরি করে কয়েক লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। মামলা করলে সিলেটে পলাতক ছিলো সে ।

সম্প্রতি জামিনে এসে আমার বাড়ীর ভাড়াটিয়ার বিল্ডিংয়ের গেইট কেটে সর্বস্ব লুট করে। পুলিশ অনেক চেস্টা করেও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তিনি বলেন, আমারা আশা করছি আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি হবে। নারায়নগঞ্জের এসপি সাহেব মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর। নিশ্চয় পুরো চোর চক্রকে গ্রেফতার করতে তৎপরতার নির্দেশ দিবেন তিনি।

শুক্রবার এলাকার যুব সমাজ অনেক চেষ্টা করে কতুবপুর এলাকার ২২ প্লট নামক নির্জন এলাকা থেকে তাকে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এমন সময় তার পিতা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন আনু পুলিশের কাছ থেকে ছেলেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেস্টা করলে পুলিশ মাদকসহ তাকে গ্রেফতার করে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন শাহ পারভেজ জানায়, আমরা দীর্র্ঘদিন যাবৎ এই বাপ ছেলেকে আটকের চেষ্টা করে আসছিলাম। বেশ কয়েকবার তাদের আটক করার জন্য অভিযানও চালিয়েছিলাম। কিন্তু তারা যেমন দুধর্র্ষ ঠিক তেমনি চতুর। তাই তাদেরকে আটক করা যাচ্ছিলোনা। পরে শুক্রবার স্থানীয় জনতা প্রথমে শাকিলকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এসময় তার বাবা মাদক ব্যবসায়ি আনোয়ার হোসেন আনু এসে ছেলেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে তাকেও মাদকসহ আটক করে পুলিশ। উভয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে রয়েছে।