কবি হালিম আজাদের প্রতি সানাউল্লাহ‘র কয়েকটি প্রশ্ন

আমি কাউকে কস্ট দেয়ার জন্য নয় মনের তাগিদে কিছু কথা লিখছি ।নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে বক্তব্যটি লিখছি না ,সাধারণ মানুষ হিসেবে লিখব ।
কবি হালিম আজাদ আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব ।
কবি হিসেবে তিনি আবেগ ময় ,ভালবাসার মানুষ হিসেবে তিনি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব থাকবেন এটাই স্বাভাবিক ।
কিন্তু আজকাল তার কথাবার্তা নেশাখোরদের মতো মনে হয় ।চেহারা রুক্ষ মনে হয় । গ্রামের ছেলে
বক্তাবলির শহীদদের কথা বেশি বলবেন।
সবুজ গ্রামের স্মৃতি কথাগুলো বেশি লিখবেন ।
দেলোয়ার ভাষানী ,মুকুল ,পলির কথা লিখবেন ,মনির ভাইয়ের কথা লিখবেন ,লিখবেন শহীদ ভাইয়ের ছোট বোনের কথা ,ত্বকির কথা লিখবেন,প্রতিবাদ করবেন আমরাও সাথে শামিল হবো ।
আপনি শুধু ত্বকির কথা লিখেন আর কারো কথা লিখেন না কারন কি?
আপনি শুধু শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে লিখেন আর কি কেউ অপরাধ করেনা?
টানবাজার পতিতালয়ের বিরুদ্ধে আপনার কি ভূমিকা ছিল ?
ফতুল্লায় কয়টা বধ্যভূমি আছে আপনি বলতে পারবেন?
এক সময় কাদা মাটি দিয়ে হেঁটে যেতেন গ্রামে ।এখন কিভাবে যান ।
আমিও অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করি ।আমি কখনো সাংসদ শামীম ওসমান ,মেয়র আইভির বিরুদ্ধে কথা বলি না ।শামীম ওসমান কখনো আইভির বিরুদ্ধে কথা বলতে আমাকে বলেও নাই ।
শামীম ওসমান ইতিহাস ।আমাদের ফতুল্লার জন্য ।কেন শামীম ওসমান কে গ্রেফতার করতে হবে । শামীম ওসমান তো অনেক নির্যাতিত হয়েছে ।অনেক কর্মী হারিয়েছে ।তাদের খামারের গরুর দুধের বান কেটে নিয়েছ ।সেকি প্রতিশোধ নিয়েছে ?নেয় নাই।
তবে ত্বকির মতো মাসুম বাচ্চা তার প্রতিদ্বন্দ্বী কি ভাবে হলো ?বিষয়টি আমার কাছে নোংরা পলিটিক্স মনে হচ্ছে ।
তাই আমার কস্ট হয় আপনার ভূমিকা দেখে ।
একজন জ্ঞানী লোকের মতো আচারন দেখতে চাই ভক্তের দাবি নিয়ে ।
আমি লেখায় পারদশী নই। ভূল হলে ক্ষমা করবেন ।
সানাউল্লাহ
ফতুল্লা