বন্দরে সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে মাইক্রো চাপায় শিশু নিহত

বন্দর(আজকের নারায়নগঞ্জ): বন্দরে চলন্ত সিএনজি থেকে ছিটকে মাইক্রোবাসের চাপা পড়ে এক শিশু মারা গেছে। নিহত শিশুর নাম নুসরাত (৩)। এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন শিশুর মা স্বপ্না (২২)।

রোববার(৯ জুন) সকালে লাঙ্গলবন্দ-নবীগঞ্জ সড়কের মিনারবাড়ি ডুমুরতলা এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু দক্ষিন কুলচরিত্র গ্রামের নাসিরউদ্দিনের মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার মুছাপুর ইউপির দক্ষিন কুলচরিত্র গ্রামের নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী স্বপ্না বেগম শিশু কন্যা নুসরাত ও ননদ এবং তার দুই সন্তানকে নিয়ে সিএনজি যোগে সোনারগাঁও যাদুঘরে ঘুরতে যাচ্ছিলেন।  সকাল ১০ টার দিকে লাঙ্গলবন্দ-নবীগঞ্জ সড়কের মিনারবাড়ি আগে ডুমুরতলা এলাকায় পৌছান। এসময় সিএনজিটি একটি পিকআপভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরিত দিক থেকে একটি মাইক্রোবাস চলে আসে। মাইক্রেবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ থেকে বাঁচতে চালক সিএনজিটি হঠাৎ থামিয়ে দেয়।

ওই মূহুর্তে মায়ের কোলে থাকা শিশু কন্যাসহ সিএনজি থেকে ছিটকে মাইক্রোবাসের চাকায় চাপা পড়ে মা- মেয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু সুমাইয়া মারা যায়।

নিহত শিশুর দাদা সুলতান বাবুর্চী জানান, সিএনজি থেকে ছিটকে মাক্রোবাসের চাপা পড়ে নাতিন নুসরাতের মৃত্যু হয়। পূত্রবধূ স্বপ্নার অবস্থাও আশঙ্কাজন।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, দুপুর ১টায় সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে স্বপ্না বেগম তার মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে বন্দরের মিনারবাড়ি যাচ্ছিল। ডুমুরতলা এলাকায় পৌঁছালে অন্য আরেকটি সিএনজিকে অতিক্রম করতে গিলে মা ও মেয়ে দুইজনই অটোরিকশা থেকে পড়ে যায়। স্থানীয়রা মা ও মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার ডাক্তার শিশু সুমাইয়াকে মৃত ঘোষণা করে ও মা স্বপ্না বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি আরো জানান, ঘটনার পর সিএনজি অটোরিকশাসহ চালক পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।