বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সঃ রোগীদের খাবার বিতরনে সুইপার সখিনা !

বন্দর প্রতিনিধি(আজকের নারায়নগঞ্জ):   বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত জনবল থাকা সত্বেও সুইপার দিয়ে রোগীদের রান্না ও খাবার বিতরণ করা হয়ে থাকে। বার বার নিষেধ করা সত্বেও সুইপার সখিনা নির্দিষ্ট কাজের প্রতি খেয়াল না দিয়ে খাবার বিতরণের কাজ করেই যাচ্ছে।

একই জায়গায় দীর্ঘ ১৯ বছর যাবত অবস্থান করে সুইপার সখিনা বেপরোয়া হয়ে উঠে। রোগীদের ও নার্সদের সাথে প্রভাব বিস্তার ও খারাপ আচরন করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সুইপার সখিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার আমিনুলকে বিয়ে করে তার প্রভাব আরো বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নার্স জানান।

সুইপার সখিনার বিরুদ্ধে কয়েক বছর আগে বিভিন্ন পত্রিকায় রোগীদের খাবার বিতরণের চিত্রসহ সংবাদ প্রকাশসহ স্বাস্থ্য বিভাগে লিখিত অভিযোগ হলেও রহস্যজনক কারণে এ পর্যন্ত তাকে দিয়ে রোগীদের খাবার বিতরণ, খাবার বুঝে নেয়াসহ রান্নার যাবতীয় কাজ করাচ্ছে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

রোগীরা জানান, সুইপার সখিনা সব সময় তাদের খাবার বিতরণ করেন। কেউ খাবার বিতরণ করতে এলে সুখিনা এসে তাকে তাড়িয়ে দিয়ে নিজে খাবার বিতরণ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নার্সরা জানান, সখিনা হাসপাতাল থেকে রান্না করার খাবার ও খাদ্য সামগ্রী চুরি করে নিজ বাসায় নিয়ে নিয়ে যায়। এ কারণে সে রান্না ও খাবার বিতরণের কাজটি নিজের কব্জায় রাখতে যা করার তাই করে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, সখিনার বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনচার্জ ডা. মুহাম্মদ আব্দুল কাদেরকে একাধিকবার বলার পরও তাকে রান্না ও খাবার বিতরণের কাজ থেকে বিরত রাখেনি বা বদলীর বিধান থাকা সত্বেও তাকে বদলীর ব্যাপারে কোর পদক্ষেপ নেননি। মনে হচ্ছে ইনচার্জ সুইপার সখিনার কাছ থেকে কোন অবৈধ সুবিধা পেয়ে থাকেন। এতে করে চিকিৎসার মান ভাল থাকলেও সেবার মান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসী সুইপার সখিনাকে অন্যত্র বদলীসহ তার বিরুদ্ধে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ ব্যপারে সিভিল সার্জনের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।