‘কোন কোন কোম্পানির দুধ ক্ষতিকর তা জানতে চায় মানুষ’- হাইকোর্ট

আইন-আদালত(আজকের নারায়নগঞ্জ): কোন কোন কোম্পানির তরল দুধে ভেজাল ও ক্ষতিকার পদার্থ আছে সেগুলোর নামসহ পরিপূর্ণ প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিবেদন দিতে বিএসটিআইকে নির্দেশ দেয়া হয়।

মানুষের জীবন নিয়ে ছিনি-মিনি খেলা যাবে না, বলে ভেজাল মেশানোদের সতর্ক করে আদালত বলেছেন, কোন কোন কোম্পানির দুধ ক্ষতিকর তা জানতে চায় মানুষ। নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সে যেই হউক তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিরাপদ খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বাস্থ্য ঠিক না হলে জাতি গঠন হবে কিভাবে এমন প্রশ্নও তোলেন আদালত।

বুধবার(১৫মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের বেঞ্চ দুধ ও দইয়ে রাসায়নিক পাওয়া সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে এসব কথা বলেন।

কোন কোন কোম্পানির দুধ ও দইয়ে ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য পাওয়া গেছে এবং কারা এর সাথে জড়িতদের নাম-ঠিকানা দাখিলের জন্য আজকে দিন ধার্য ছিল। তবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বুধবার তা দাখিল না করে সময় আবেদন করে। পরে তাদেরকে ২৩ জুন পর্যন্ত সময় দেন আদালত।

আদালত প্রশ্ন তুলে বলেছে কিভাবে ভেজাল দুধে বাজার সয়লাব হয় সে বিষয়ে বিএসটিআইয়ের বিবেক কি দংশন করে না! এত বড় একটি জনস্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে বিএসটিআইয়ের নিরবতায় বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।

এর আগে বাজার থেকে সংগৃহীত কাচা তরল দুধের ৯৬ নমুনার মধ্যে ৯৩ টিতেই সীসা, অ্যান্টিবায়েটিক অনুজীব পাওয়া গেছে বলে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরে কোন কোন কোম্পানি দুধে এই ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর সঙ্গে জড়িত তাদের পরিচয় জানাতে নির্দেশ দেন আদালত।