রণবীর-অনুষ্কার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের যৌনকর্মীদের!

বিনোদন ডেস্ক: বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘সঞ্জু’। ফলে ছবি তৈরির সময় সেই রিয়ালিটি বজায় রাখতে চেয়েছেন রাজকুমার হিরানি। সেখান থেকেই যত গন্ডগোলের সূত্রপাত। ছবিতে যৌনকর্মীদের নিয়ে একটি সংলাপ রয়েছে। সেটির কারণে রণবীর কাপুর ও অনুষ্কা শর্মার বিরুদ্ধে দায়ের হল অভিযোগ।

ছবির ট্রেলারেই সেই সংলাপটি রয়েছে। ছবিতে রণবীর কাপুর সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর জীবনীকারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনুষ্কা শর্মা। সংলাপে রণবীরকে অনুষ্কা জিজ্ঞাসা করছেন, “কতজন মেয়ের সঙ্গে শুয়েছেন?” উত্তরে রণবীর বলছেন, “যৌনকর্মীদের ধরে, নাকি তাদের আলাদা রেখে? না ওদের আলাদা রাখি। ৩০৮ পর্যন্ত মনে রয়েছে। আপনি ৩৫০-ই ধরুন।” এই সংলাপ নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে। সংলাপের মাধ্যমে যৌনকর্মীদের অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন সমাজকর্মী গৌরব গুলাটি। তাঁর অভিযোগ, সংলাপটি রুচিহীন। এর মাধ্যমে যৌনকর্মীদের মর্যাদাহানি করা হয়েছে। ছবির ট্রেলারে যে সংলাপগুলি ব্যবহার হয়েছে, সেগুলি শুধু নারীবিদ্বেষী নয়, নিম্নরুচিরও।

তবে এর আগেও অভিযোগ উঠেছে ‘সঞ্জু’-র বিরুদ্ধে। এমাসের গোড়ার দিকে ছবির ট্রেলারের একটি দৃশ্যে নিয়ে আপত্তি ওঠে। সেই দৃশ্যে ছিল, জেলের মেঝেতে শুয়ে আছেন সঞ্জুরূপী রণবীর কাপুর। আর গোটা মেঝে ভেসে যাচ্ছে শৌচাগার উপচানো নোংরায়। এই দৃশ্য নিয়েই আপত্তি তোলেন পৃথ্বী মাসকে নামে এক সমাজকর্মী। সেন্সর বোর্ডকে লেখা একটি চিঠিতে তিনি জানান, জেলের বারাকের মধ্যেই এখানে সঞ্জয়কে দেখানো হয়েছে। সিনেমার দৃশ্যটি যদি সত্যি হয় তবে বুঝতে হবে জেল কর্তৃপক্ষ যারপরনাই উদাসীন। কিন্তু এরকম কোনও ঘটনার কথা শোনা যায় না। এমনকী গ্যাংস্টারদের নিয়ে অনেক ছবি হয়েছে। তাতে জেলবন্দিদের দেখানো হয়েছে, জেলের ভিতরের দৃশ্যও আছে। কিন্তু কোথাও এরকম কোনও ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় না। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় জেলকে খারাপভাবেই এই দৃশ্যে উপস্থাপিত করা হয়েছে। যা কাঙ্ক্ষিত নয়।

পৃথ্বী মাসকের সঙ্গে একমত হয় সেন্সর বোর্ডও। জানা গিয়েছে ছবি থেকে বাদ গিয়েছে টয়লেটের সেই দৃশ্যটি।