‘হলুদ কার্ড’ বিবেচনায় নকআউটপর্বে জাপান

ক্রীড়া ডেস্ক : ২০০২ সালে যৌথ আয়োজক জাপান বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছিল। এরপর আর তারা দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট পায়নি। তিন আসর পর আবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে এশিয়ার দেশ জাপান। বৃহস্পতিবার ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে অবশ্য তারা জিততে পারেনি। হেরে যায় ১-০ ব্যবধানে।

তাতে জাপান ও সেনেগালের পয়েন্ট সমান ৪ হয়। গোল ব্যবধানও হয় সমান ০। এক্ষেত্রে ফেয়ার প্লে অর্থাৎ হলুদ কার্ডকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। জাপান তিন ম্যাচে ৪টি হলুদ কার্ড পেয়েছে। অন্যদিকে সেনেগাল ৩ ম্যাচে পেয়েছে ৬টি হলুদ কার্ড। ফেয়ার প্লে এর উপর ভর করে ১৬ বছর পর দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট পেয়ে যায় জাপান।

এদিকে সেনেগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৩ ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে স্থান করে নিয়েছে কলম্বিয়া। নকআউট পর্বে কলম্বিয়া ও জাপান প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ড কিংবা বেলজিয়ামকে পেতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে জাপানের জালের নাগাল পায়নি পোল্যান্ড। জাপানও পায়নি পোলিশদের জালের নাগাল। তাতে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে বেশি সময় লাগেনি রবার্ত লেভানডোফস্কিদের। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে পোল্যান্ডের জান বেডনারেক সেট পিচ থেকে গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। এই গোলটি আর শোধ করতে পারেনি সামুরাই ব্লুরা। শেষ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পেলেও পোল্যান্ডকে বিদায় নিতে হয়। কারণ, তারা নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে হার মেনেছে। তবে শেষ ম্যাচ জিতে মাথা উঁচু করে দেশে ফিরতে পারবে তারা।

এদিকে সেনেগালের বিপক্ষে গোল পেতে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় কলম্বিয়ার ইয়েরি মিনা কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা লাগিয়ে জালে জড়ান। এই ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করতে পারলেও সেনেগালের সুযোগ থাকত দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার। কিন্তু সেটা তারা পারেনি। মিনার গোলটি শেষ পর্যন্ত জয় এনে দেয় কলম্বিয়াকে।