স্বামীসহ ৪ জন দায়ীঃসুইসাইডাল নোট রেখে খাদিজার গলায় ফাঁস

আজকের নারায়নগঞ্জঃ স্বামীসহ ৪ জনকে দায়ী করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহননের পথ বেছে নিল টুপি কারখানার নারী শ্রমিক খাদিজা আক্তার (২৫)। রোববার রাতে ফতুল্লার শিহাচর নূর মসজিদ সংলগ্ন মিলন মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে খাদিজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের পশে থাকা চার পাতার একটি সুইসাইডাল নোট জব্দ করেছে পুলিশ।
খাদিজার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত খাদিজা আক্তার ফতুল্লার শিহাচর নূর মসজিদ সংলগ্ন মিলন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মুনসুরের স্ত্রী এবং একই এলাকার নজরুল মিয়ার টুপি কারখানায় কাজ করতেন।

জব্দ করা সুইসাইডাল নোটে বলা হয়েছে, তার মৃত্যুর জন্য তার স্বামী মুনসুর, কারখানার মালিক নজরুল, সহকর্মী মোফাজ্জল ও নাজমা দায়ী। খাদিজা তার স্বামী মুনসুরকে অনেক ভালোবাসতেন। কাজকর্ম নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়। এরপর তার স্বামী মুনসুর অন্যত্রে চলে যায়। একাধিকবার বুঝিয়েও মুনসুরকে কাছে আনতে না পেরে মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।

আরেকটি অংশে লিখা হয়, আমি ভালোবাসি বলে অপরাধ। আমি ওদের চারজনের বিচার চাই। এটা আমার অনুরোধ। কেনো আমাকে এভাবে মরতে হলো?
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, মরদেহ ও সুইসাইডাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, নিহতের স্বামী মুনসুর কামরাঙ্গিরচর এলাকায় কাজ করে। তাকে খবর দেয়া হয়েছে। চিরকুটের বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।