পূর্নিমার মোটরসাইকেলের নীচে ফেরদৌস,আহত দুজনেই হাসপাতালে

বিনোদন ডেস্ক(আজকের নারায়নগঞ্জ): চিত্রনায়ক ফেরদৌস আর চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রোববার(১০ ফেব্রুয়ারী) সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীর চরমণ্ডলে। সেখানে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং করছেন তাঁরা।

ছবিটির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল বলেন, ‘আজ সকালে মোটরসাইকেলের একটি দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল। গতকাল শনিবার এই দৃশ্যের শুটিং হয়েছে। কিছু কাজ বাকি ছিল। সেটাই আজ করা হয়। মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন পূর্ণিমা। পেছনে বসে ছিলেন ফেরদৌস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই রাস্তায় স্লিপ কেটে তাঁদের মোটরসাইকেল উল্টে যায়। ফেরদৌস আর পূর্ণিমা ছিটকে গিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যান। দুজন যথেষ্ট ব্যথা পেয়েছেন। দুজনেরই শরীরের কিছু স্থানে কেটে গেছে। সেখান থেকে রক্ত ঝরেছে। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

আজ দুপুরে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন ফেরদৌস আর পূর্ণিমাকে বসুরহাট সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানালেন, ঘটনার পর ফেরদৌস আর পূর্ণিমাকে বিশ্রামে রাখা হয়। কিন্তু ব্যথা বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

এরপর কথা হয়েছে ফেরদৌসের সঙ্গেও। আহত নায়ক ফেরদৌস জানান, সিনেমার চরিত্রের একটি অংশে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা এনজিওকর্মীর চরিত্রে এবং আমি সাংবাদিকের চরিত্রে অভিনয় করছি। চরিত্রের একটি অংশে, পূর্ণিমার মোটরসাইকেলের পেছনে বসে আমি এলাকা ঘুরে দেখার দৃশ্য ধারণ করছি।

তিনি বলেন, ‘এই দৃশ্য ধারণ করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পূর্ণিমার মোটরসাইকেল আমার শরীরের উপরে উঠে পড়ে। পূর্ণিমা পড়ে গেলে, আমরা দু’জনই মোটরসাইকেলের নিচে পড়ে যাই।’‘প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছি। পূর্ণিমাও। আমি ব্যথা পেয়েছি সোল্ডারে আর পূর্ণিমা পায়ে। দুজনেরই খুব ব্যথা হচ্ছে। পূর্ণিমার পা ফুলে গেছে। হাসপাতালে যাচ্ছি। দেখি ডাক্তার কী বলেন।’

পরবর্তীতে শুটিং ইউনিটের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে বসুরহাট সেন্টাল হাসপাতালে নিয়ে যান বলেও জানান ফেরদৌস।

৬ ফেব্রুয়ারি থেকে চরমণ্ডল আর চর এলাহিতে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং করছেন ফেরদৌস আর পূর্ণিমা। গতকাল তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আনিসুর রহমান মিলন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস ‘গাঙচিল’ নিয়ে ছবিটি তৈরি করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল।