শেষ ষোলতে যাওয়ার সুযোগ রইল অস্ট্রেলিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক : দুই দলই সুযোগ তৈরি করল অসংখ্য। কিন্তু একটির বেশি গোল দিতে পারল না কেউই। অস্ট্রেলিয়া ও ডেনমার্কের ম্যাচ তাই শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই ড্র হলো।

সামারায় বৃহস্পতিবার ‘সি’ গ্রুপের এই ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ডেনমার্ক। ৩৮ মিনিটে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফেরান মাইকেল জেডিনাক।

অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল। আর ডেনমার্ক হারিয়েছিল পেরুকে। দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র করলেও এখনো নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ থাকছে অস্ট্রেলিয়ার সামনে।

বিশ্বকাপে এটিই ছিল দুই দলের মুখোমুখি প্রথম লড়াই। আগে প্রীতি ম্যাচে তিনবার মুখোমুখি হয়ে দুটি জিতেছিল ডেনমার্ক, একটি অস্ট্রেলিয়া।

২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠতে পারেনি ডেনমার্ক। এবার প্রথম ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে শেষ ষোলোয় যাওয়ার দাবিটা জোরালোই করে ডেনিশরা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও যেভাবে শুরু করেছিল, তাতে ডেনমার্কের আরেকটি জয় দৃষ্টিসীমাতেই মনে হচ্ছিল। মাত্র সপ্তম মিনিটেই এরিকসেনের দুর্দান্ত গোলে উড়ন্ত সূচনা পায় ডেনমার্ক।

নিকোলাই জর্গেনসেনের ফ্লিক থেকে এরিকসেন বল পেয়েছিলেন বক্সের ভেতর। হাফ ভলিতে সেই বল গোলার মতো পাঠিয়ে দিয়েছেন জালে। ডেনমার্কের হয়ে শেষ ১৫ ম্যাচে এরিকসেন সরাসরি সম্পৃক্ত থাকলেন ১৮টি গোলে (১৩ গোল, ৫ অ্যাসিস্ট)।

দুর্দান্ত শুরুর পর লিড বাড়াতে পারেনি ডেনমার্ক। প্রথম ত্রিশ মিনিটের আগে অন্তত আরো দুটি ভালো সুযোগ পেয়েছিল তারা। কিন্তু কখনো পিয়েনো সিস্তোর শট লেগেছে গোলরক্ষকের হাতে, আবার কখনো জর্গেনসেনের হেড চলে গেছে পোস্ট ঘেঁষে।

এরপরই আসে সেই বিতর্কিত মুহূর্তটা। বক্সের ভেতর ম্যাথু লেকির হেড লেগেছিল ইউসেফ পলসেনের হাতে। শুরুতে যদিও পেনাল্টি দেননি রেফারি। সিদ্ধান্ত যায় ভিএআর প্রযুক্তির কাছে। ভিডিও দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট-কিকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক জেডিনাক।

দ্বিতীয়ার্ধে অনেক সুযোগই পেয়েছিল দুই দল। অবশ্য সুযোগ বেশি এসেছিল দুর্দান্ত খেলা অস্ট্রেলিয়ার সামনেই। কিন্তু আর কোনো গোলের দেখা পায়নি কেউই। তবে এই ড্রও অস্ট্রেলিয়ার জন্য স্বস্তিরই। অন্তত শেষ ষোলোর আশা তো বেঁচে থাকল।