পিছু হটতে বাধ্য হলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কঠোর সমালোচনা আর ঘরে-বাইরের চাপের মুখে অবশেষে অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবার থেকে অালাদা করতে বিতর্কিত আইন প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনায় স্বাক্ষর করেন তিনি।

অভিবাসন বিষয়ক এই আইন মূলত আমেরিকায় অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের তাদের সন্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করেছিল।

ট্রাম্প বলেন, কেবল শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়েই তিনি এ নীতি থেকে সরে এসেছেন, যাদের বাবা-মাকে অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য জেলে রাখা হয়েছে। সেইসব শিশুরা যেন তাদের পরিবারের সাথেই থাকতে পারে সে চেষ্টা চলছে।

তবে এরই মধ্যে যেসব অভিবাসীকে জেলে নেয়া হয়েছে- তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি তার কাছ থেকে।

বিতর্কিত এই আইন চালুর পর থেকে বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হন ট্রাম্প। এমনকি তার প্রতি নাখোশ ছিলেন ফাস্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও।

মেলানিয়া বলেছিলেন, ‘আমি পরিবার থেকে শিশুদের আলাদা করে দেয়াকে ঘৃণা করি’। দরকার হলে ইমিগ্রেশন (অভিবাসন) আইনে পরিবর্তন করা হোক।’

সাবেক ফাস্ট লেডি লরা বুশও ট্রাম্পের এই আইনটিকে অনৈতিক বলে মন্তব্য করেছিলেন।

মার্কিন ইমিগ্রেশন অফিস সূত্রে জানা গেছে ৯ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৪২ জন শিশু এই আইনের আওতায় তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে যারা আশ্রয়ের আশায় সীমানা পাড় হবার চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে অনেককেই জেলে দেয়া হয়েছে। ফলে অনেক শিশুই তাদের বাবা-মা থেকে আলাদা হয়েছেন।

আইন বাতিলের কাগজে স্বাক্ষর করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমি চাই না পরিবারের একটা অংশ আরেক অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাক।

তবে একই সাথে অবৈধ অভিবাসন ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টরালেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।