কালামের হাত আকরামের সাথে,তবে মুকুলের মোনাজাত…

বন্দর(আজকের নারায়নগঞ্জ):  মহানগর বিএনপি সভাপতি সাবেক এমপি এড.আবুল কালাম যখন নারায়নগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী এসএম আকরামের হাতে হাত রেখে মাঠে নামার প্রতিজ্ঞা করেছেন।

অপরদিকে বন্দরে এক অনুষ্ঠানে  নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে  মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির এমপি সেলিম ওসমানের সাথে লাঙ্গলের জয় কামনা করে মোনাজাত ধরেছেন এড.কালামের ভাই মহানগর বিএনপির সহসভাপতি বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল।

মুকুলের উপস্থিতিতেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেলিম ওসমান দাবী করে বলেছেন, আমি বিএনপির ভোট সবচেয়ে বেশী পাবো। বিগত উপ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে না থাকায় সেলিম ওসমানকে ভোট দিয়েছিল। আর বিএনপি সেলিম ওসমানকে ভালোবেসে ভোট দিবে।

১২ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে বন্দরে ২৩নং ওয়ার্ডে মতবিনিময় সভায় সেলিম ওসমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমার মার্কা ধানের শীষ আমার মার্কা লাঙ্গল আমার মার্কা নৌকা।

সেলিম ওসমান আরো বলেন, মুকুল এখানে এসেছেন ভাই হিসেবে। তিনি নেতা হিসেবে আসেনি। এক সময়ে মুকুল খেলাধুলার জন্য ব্যস্ত থাকতেন। এখন মুকুল বিএনপির জন্য নির্বাচন করছেন। কিন্তু তিনি মনে করছেন যে এ নির্বাচন খালেদা জিয়ার জন্য না বরং খালেদা জিয়াকে মাইনাস করার জন্য। এবার আমি আবুল কালামের সঙ্গে নির্বাচন করতে পারলে সন্তুষ্ট হতাম। তাঁর মতো ভালো মানুষ থাকলে তাঁর সঙ্গে নির্বাচন করতে পারলে ইজ্জত থাকতো। কিন্তু এবার ইচ্ছে করতাছে গালি দিতে।

তিনি বলেন,যে বাড়িতে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে সেই বাড়ির নাতি আমি। আমার চেয়ে বড় আওয়ামী লীগার আর কেউ নাই। আমি ওমরা হজ করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলাম। আমাকে তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তোমার উপর আমার আত্মবিশ্বাস আছে। তুমি যেখানে আছো সেখানেই থাকো।

অপরদিকে একইদিনে নারায়নগঞ্জ শহরে নিজ বাড়ীতে ধানের শীষের প্রার্থী এসএম আকরামের হাতে হাত দিয়ে মহানগর বিএনপি সভাপতি সাবেক এড. আবুল কালাম বলেছেন,আমাদের রাজপথের আন্দোলন আর নির্বাচনী আন্দোলনে কোনো পার্থক্য নেই। আমাদের দল থেকে প্রার্থী নির্বাচন করে দেয়া হয়েছে এসএম আকরাম সাহেবকে। উনার প্রতি নেতাকর্মীদের, সবার দ্বিধা ছিলো। আমি মনোনয়ন পাবো কিনা, না পেলে কার জন্য কাজ করবো।

আবুল কালাম আরো বলেছেন, গত ১০ তারিখ আকরাম সাহেব আমার কাছে আসেন। আপনাদের নিয়ে কাজ করার জন্য, আপনাদের নিয়ে ধানের শীষ রক্ষা করার জন্য, বিজয় লাভের জন্য। ব্যক্তিগতভাবে আমি রাজনীতি করি না। আমি দলের কর্মী। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

দল থেকে যখন যাকে নির্বাাচত করেছে আমি তার জন্য কাজ করেছি। এ নির্বাচনে আকরাম ভাইয়ের জন্য কাজ করবো। আকরাম ভাইয়ের নির্বাচনী কার্যালয়কে এখন থেকে আমরা নিজের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করবো। নিজেদের কার্যালয়ে যা যা করার তা সবই আমরা উনার কার্যালয়ে করবো।