নাশকতার অভিযোগে কালাম,সাখাওয়াতসহ বিএনপির ১৬ নেতার নামে মামলা

আইন-আদালত(আজকের নারায়নগঞ্জ):  নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে প্রধান আসামী করে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ আসামী করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টেবার) নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এসআই জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করে। এ মামলায় মামুন মাহমুদ, নাজমুল হাসান, ইয়াসিন ও রফিকুলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এতে পৃষ্টপোষকতাকারী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৩০ অক্টেবর মঙ্গলবার সদর থানা এলাকায় স্পেশাল-১ মোবাইল ডিউটি করাকালিন সময় বেলা ১১ টায় সংবাদ পান নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের পিছনে প্যারাডাইস ক্যাবল ভবনের দক্ষিনে ২০/২৫ জনের একদল দুস্কৃতিকারী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিল।

বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে প্রেসক্লাবে ডিউটিরহ অফিসার পিএসআই প্রবীর কুমার রায়কে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুস্কৃতিকারীরা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর সময় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পরবর্তীতের গ্রেফতারকৃত চারজনের তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলায় নাম উল্লেখিত আসামী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, হাসান আহম্মদ, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মনিরুল আসম সজল, সরকার আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টি, অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান, রিয়াদ, অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ভাষানী ও আবুল কাউসার আশাসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। এ সময় ঘটনাস্থল থকে ২টি পুরাতন জর্দ্দার কোটা যা লাল রংয়ের স্কটটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল ও ৪টি ইটের টুকরো জব্দ করা হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে থেে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের সাজা দেয়ার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মিছিলের প্রস্তুতিকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, বিএনপি কর্মী নাজমুল, ইয়াসিন ও রফিকুলসহ চার নেতাকর্মীকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি এমএ শাহিন জানান, একজন শ্রমিক বাথরুমের গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে দেখাদেখি আরো দুইজন অজ্ঞান হয়ে পরে। পরে কারখানার ভিতরে তাদের চিকিৎসা দিলে সুস্থ্য হয়ে যায়। কিন্তু এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলে ও ভুয়া খবর ছড়াতে থাকলে কারখানার মালিক কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটি ঘোষণা করে দেয়।
তিনি আরো জানান, কারখানার ভিতরে হওয়ায় শ্রমিকদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তিনজনই নারী শ্রমিক বলে জানা গেছে। তবে সবাই এখন সুস্থ্য আছে।