চার নেতা বেঁচে থাকলে দেশ আরো সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতো – ত্রাণমন্ত্রী মায়া

মো. দ্বীন ইসলাম, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, জেল হত্যা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিমর্মভাবে হত্যা করা হয়। ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করা। ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা বাঙালী জাতির জন্য লজ্জাজনক। আজ এই চার নেতা বেঁচে থাকলে দেশ আরো সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতো। নেতাদের হত্যাকারীদের প্রতি আমরা ধিক্কার জানাই।
শনিবার সকালে ৩রা নভেম্বর জাতীয় জেলহত্যা দিবসে আয়োজিত জনসভাকে সফল ও স্বার্থক করার লক্ষ্যে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক মোহনপুরস্থ মন্ত্রীর নিজ বাড়িতে আয়োজিত বর্ধিত সভায় ত্রাণ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ত্রাণ মন্ত্রী মায়া চৌধুরী আরও বলেন, জাতীয় চার নেতাকে হারানোর যে শোক তা এখনের প্রতিটি হৃদয়কে কাঁপিয়ে উঠায়। এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার জয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রতীক নৌকা, উন্নয়নের দল আওয়ামীলীগ। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়ন হয়। তাই নৌকার জয় নিশ্চিত করতে তৃণমূলের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত আলোচনা সভায় মতামত ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য রিয়াজ উদ্দিন মানিক, আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, ছেঙ্গারচর পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম জজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম সরকার ইমন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী গাজী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শহীদ উল্লাহ প্রধান, সিরাজুল ইসলাম লস্কর, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার, গাজী ইলিয়াছুর রহমান, শাহজাহান প্রধান, স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক চৌধুরী বাবুল, ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান একেএম শরীফ উল্লাহ সরকার, বাগানবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া, সাদুল্লাপুর ইউপি চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মুন্সি, দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান আবুল খায়ের, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল হাসান বাবু (বাতেন), ফতেপুর পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, সুলতানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ স্বপন, জহিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলী আক্কাস বাদল, গজরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ হানিফ দর্জি, কলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান সুবহান সরকার সুভা, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আবু সালেহ মো. খুরশীদ আলম, সাধারন সম্পাদক জিএম ফারুক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান জহির, সাধারন সম্পাদক কাজী শরীফ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন খান, যুগ্ম-আহ্বায়ক তামজিদ সরকার রিয়াদ’সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।