জামালপুরে শশা চাষীদের চোখে মুখে উৎফুল্লের ঝিলিক

 

ইয়ামিন মিয়া,জামালপুর প্রতিনিধি:  জামালপুরে মেলান্দহ উপজেলা কুলিয়া ইউনিয়নের মাদারদৌও হাওয়রের উপকূলে শীতকালীন মৌসুমে শশা চাষীদের চোখে মুখে সপ্নের হাসি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,অন্যান্য এলাকা থেকে এ বছর মেলান্দহ উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলে শঁশা চাষ বেশি হয়েছে।
চিনিতুলা গ্রামের লাল মিয়া খানের ছেলে এনু খান জানান,চারার বয়স ১৪ দিন আশা করি ৩৫ দিনের মধ্যে শশা তুলতে পারবো।গত বছর ২ একর জমিতে শশা চাষ করে ভালো লাভবান হয়েছি বিধায় এবার ৩ একর জমিতে শশা চাষ করেছি।খরচ হবে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।যদি আবহাওয়া শশা চাষের অনুকূলে থাকে তা হলে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা বিক্রি করতে পারবো।শশা আমি বছরে দুইবার চাষ করি।
শশা চাষী আতাব উদ্দিন জানান,সরকারীহতে যদি আমগরে সাহায্য করলোনি তালে শশা আবাদে আমরা আরো মনোযোগী অয়লামি।তিনি আরো বলেন আমগরে বি এস(কৃষি উপসহকারী)আমাদের এলাকায় আহেনা।

মেলান্দহ কৃষি অফিসার মাহফুজুল ইসলাম বলেন,মলিকা ডাংগা,বয়রা ডাংগা,চিনিতুলা,সাধুপুর ও জালাল পুর গ্রামে শশা চাষ বেশি হয়েছে।এ বছর এই উপজেলায় ১৫ হেক্টরের বেশি জমিতে শশা চাষ হয়েছে। যদি আবহাওয়া শশা চাষের অনুকূলে থাকে তা হলে এ বছর শশা চাষীরা ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা শশা বিক্রি করতে পারবে।তিনি আরো বলেন আমার কৃষি উপসহকারীরা নিয়মিত মত বিনিময় করে।