রূপগঞ্জে যুবলীগ নেতা অপহরন!সড়ক অবরোধ

রূপগঞ্জ (আজকের নারায়নগঞ্জ) :  রূপগঞ্জে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শফিকুল রহমান ভূইয়া বাদলকে পুলিশ পরিচয়ে তার নিজ এলাকা থেকে তুলে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান বাইপাস সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

তারা বাদলকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি তুলে মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এতে করে মহাসড়কের উভয় দিকে দির্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দূর্ভোগে পরেন দুরপাল্লার যাত্রী ও পন্যবাহি পরিবহন চালকরা। বাদলের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজি সহ অন্তত ২১টি মামলা রয়েছে পুলিশের একটি সুত্র জানান। বুধবার বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বড়ালু এলাকা থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়।

বাদলের ভাই মুকুল ভূইয়া জানান, বিকেল ৪ টার দিকে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও স্থানীয় হাবিবুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলার রহমান ভূইয়া বাদল বড়ালু এলাকা থেকে নিজ গ্রাম ইছাখালীর দিকে আসছিলেন। এসময় একদল সাদা পোশাকধারী লোক নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে একটি মাইক্রোবাস যোগে তার পথরোধ করে তাকে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর থেকে তার আর কোন সন্ধান পাচ্ছেন না পরিবার।

এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান বাইপাস সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের কর্মী সমর্থকরা। তারা বাদলকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। এতে করে মহাসড়কের উভয় দিকে দির্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দূর্ভোগে পরেন দুরপাল্লার যাত্রী ও পন্যবাহি পরিবহন চালকরা। বাদলের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজি সহ ২১টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, বাদল অপহরনের ঘটনা শুনেছি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন দপ্তর তাকে তুলে নিয়েছে এমনটা আমি নিশ্চিত হতে পারিনি। আমার জানামতে তার বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। তবে তা কি পরিমান সেটা যাচাই না করে বলতে পারবো না।

তবে গত কয়েকদিনের গার্মেন্ট কর্মীদের আন্দোলনে মহাসড়ক অবরোধের ফলে এমনিতেই অচালবস্থা তৈরী হয়েছিল। এরপর আওয়ামী কর্মী সমর্থকদের অবরোধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারন মানুষ। সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হয়েছেন জনগন।